Tuesday, July 8, 2014

মুসলিম আইনে বিবাহ ও শর্তসমূহ

ইসলাম ধর্মের পবিত্র উৎস্ গুলো থেকে শরীয়া আইন অনুযায়ী পরিচালিত বিধায় এই আইনকে মুসলিম আইন বলা হয়। ইসলাম ধর্ম যেহেতু একটি সার্বিক জীবন বিধান, বিবাহের ব্যাপারেও এর কোন ব্যতিক্রম পরিলক্ষিত হয় না। এখানে বিবাহের আইনগত গুরুত্ব, সামাজিক ও ধর্মীয় মর্যাদা বিশেষ ভাবে পরিলক্ষিত হয়। একটি ছেলে ও মেয়ের বা পুরুষ ও নারীর সহবাস, জীবন যাপন ও সংসার ধর্ম পালন এর লক্ষে, ধর্মীয় ও সামাজিক সুরক্ষা দিতেই বিবাহ প্রথার জন্ম। মুসলিম আইন অনুযায়ী বিয়ে হলো দেওয়ানী চুক্তি (Contractual Agreement)।
মুসলিম পারিবারিক আইন এর অধীনে একটি আইন সম্মত নিকাহ/বিবাহ সম্পাদনের জন্য ৫ (পাঁচ) টি শর্ত অবশ্যই পালন করতে হবে। বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী একটি বৈধ বিবাহের জন্য নিম্ন বর্ণিত বিষয় গুলো উপস্থিত থাকতে মেনে চলতে হবে -
১।    পক্ষ গণের প্রাপ্ত বয়স্ক হতে হবে, অর্থাৎ বিয়েটি বাল্য বিবাহ হওয়া যাবে না। (এক্ষেত্রে ছেলেদের ২১ এবং মেয়েদের ১৮);[1]
২।    পক্ষ গণের বিয়েতে সম্মতি[2] থাকতে হবে (ইজাব ও কবুল); বিশেষভাবে নারীদের ক্ষেত্রে জোরপূর্বক বিয়েতে বাধ্য করা যাবেনা;
৩।    উপযুক্ত এবং প্রাপ্ত বয়স্ক/বয়স্কা [3] ২ (দুই) জন সাক্ষীর উপস্থিতিতে বিয়েটি সম্পন্ন হতে হবে;
৪।    দেনমোহর বা মোহরানা  নির্ধারণ;
৫।    বিয়ের রেজিষ্ট্রেশন সম্পন্ন করা।

যদিও বাংলাদেশের পারিবারিক আইনের আওতায় মুসলিমদের বেশীরভাগ গুরুত্বপূর্ণ পারিবারিক বিধান গুলো মুসলিম পারিবারিক আইন, অধ্যাদেশ, ১৯৬১ (Muslim Family Laws Ordinance, 1961) অনুসারে পরিচালিত হয়ে থাকে‌। কিন্তু বিবাহের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী মুসলিম বিবাহ ও তালাক (রেজিষ্ট্রেশন) আইন, ১৯৭৪ [Muslim marriages and Divorces (Registration) Act, 1974]–এর বিধান অনুযায়ী হয়ে থাকে।

[1]    বাল্য বিবাহ নিরোধ আইন, ১৯২৯ এর অধীনে বরের বয়স অবশ্যই ২১ বৎসর এবং কনের বয়স ১৮ বৎসর পূর্ণ হতে হবে। সমাজের যে কোন চুক্তি সম্পাদনের জন্য যেমন দুই পক্ষ কে প্রাপ্ত বয়স্ক ও সুস্থ মস্তিস্কের অধিকারী হতে হয়, তেমনি বিয়ের চুক্তির ক্ষেত্রেও পক্ষদ্বয়কে প্রাপ্ত বয়স্ক হতে হয়, অন্যথায় সাধারণ চুক্তির মতো এই চুক্তিও আইন সম্মত হবে না, বাতিল যোগ্য হবে।
[2]     পক্ষগনের সম্মতির ব্যাপারে বলা হয়েছে যে, একটি পক্ষ প্রস্তাব করার পর অন্য পক্ষ কর্তৃক উহা স্বেচ্ছায় গ্রহণ করতে হবে। এবং বৈধ বিবাহ সম্পাদনের ক্ষেত্রে উহার গুরুত্ব অপরিসীম। কোন সুস্থ মস্তিস্ক ও প্রাপ্ত বয়স্ক সম্পন্ন মুসলমানের বিয়ে যদি তার সম্মতি ব্যতিরেকে সম্পন্ন হয় তাহলে উক্ত বিবাহ চুক্তিটি বৈধ বিবাহ বলে গন্য হবে না। একটি বৈধ বিবাহ সম্পাদনের জন্য বর কনেকে প্রস্তাব দেবে যাকে ইজাব বলা হয়, এবং কনে উক্ত প্রস্তাবটিতে নিজে সম্মতি প্রদান করিয়া কবুল বলিয়া গ্রহণ করিবে।
[3]    একটি বৈধ বিবাহ সম্পাদনের ক্ষেত্রে সাক্ষিদের খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রয়েছে। এই সাক্ষী সম্পর্কে হানাফি মত অনুসারে একজন পুরুষ ও দুজন মহিলার কথা বলা হয়েছে – একজন পুরুষকে একজন পূর্ণ সাক্ষ্য এবং সাক্ষি হিসেবে একজন নারীকে একজন পুরুষের অর্ধেক ধরা হয়েছে, অর্থাৎ একজন নারী সাক্ষীর সাক্ষ্য গুণ একজন পুরুষ সাক্ষীর সাক্ষ্য গুণের অর্ধেক। কিন্তু বাংলাদেশের (সাক্ষ্য আইন) অনুযায়ী নারী ও পুরুষ সমান গুরুত্ব পেয়ে থাকেন। সুতরাং, বিয়ের সাক্ষি হিসেবে উপস্থিত দুই জনের দুই জন পুরুষ, দুই জন নারী অথবা একজন পুরুষ আর একজন নারী হতে পারে। বিয়ের প্রস্তাবটি সাক্ষীদের সামনে এমন ভাষায় প্রস্তাবিত হতে হবে যাতে করে উপস্থিত সবাই সেটা বুঝতে পারে যে এটা একটা বিবাহ চুক্তি সম্পাদন হইতেছে।
http://lawofwomen.org/মুসলিম-আইনে-বিবাহ-ও-শর্তস/

দেনমোহর বা মোহরানা

12:58 AM Posted by Eahshan No comments
মুসলিম ধর্মের বিধান অনুযায়ী দেনমোহর বা মোহরানা মুসলিম নারীদের একটি অধিকার বিবাহের সময় স্বামী তার স্রী কে যে অর্থ বা সম্পত্তি প্রদান করেন (পূর্ণ বা আংশিক) অথবা ভবিষ্যতে প্রদান করতে স্বীকার করেন সেই অর্থ বা সম্পত্তিই হলো দেনমোহর/মোহরানা। একজন নারী বিবাহের মাধ্যমে তার স্বামীর নিকট থেকে তাদের বিবাহের ধার্যকৃত মোহরানাটি অধিকার স্বরূপ প্রাপ্য হয়ে থাকেন। যদি কোন স্বামী দেনমোহরের নির্ধারিত অর্থ বা সম্পত্তি পুরোপুরি পরিশোধ না করে থাকেন তাহলে তিনি তার স্রীর নিকট দায়বদ্ধ থাকবেন। বিবাহটি কার্যকর থাকুক বা বিচ্ছেদ হয়ে যাক, দেনমোহর পূর্ন পরিশোধ না হয়ে থাকলে নারীরা আইনের বিধান অনুযায়ী তার প্রাপ্য অধিকার পরিশোধ করার জন্য স্বামী কে বাধ্য করতে পারবেন।
মানুষের জীবনে বিয়ে একটি সামাজিক বন্ধনের চুক্তি মাত্র যেখানে কিছু নির্ধারিত দায়িত্ব-কর্তব্য ও শর্ত পূরণের অঙ্গীকার করে একটি ছেলে ও একটি মেয়ে চুক্তি বদ্ধ হয়ে থাকে। মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান অনুযায়ী একটি বিবাহ বৈধ হতে অবশ্যই ৫ (পাঁচ) টি উপাদান থাকতে হয়, যার অন্যতম প্রধান শর্ত হলো উপযুক্ত দেনমোহর বা মোহরানা নির্ধারণ করা এবং স্বামী কর্তৃক স্রী কে পরিশোধ করা।
মুসলিম আইনের বিধান মতে বিবাহ বন্ধনের ক্ষেত্রে সামাজিক রীতির তেমন গুরুত্ব নেই, বরং বিবাহে ইচ্ছুক একটি ছেলে ও একটি মেয়েকে একটি গভীর সামাজিক চুক্তিতে আবদ্ধ করে। একটি চুক্তি পত্রে সাক্ষর করার মাধ্যমে দাম্পত্য জীবনের দায়িত্ব-কর্তব্য পালনের শর্ত-সাপেক্ষে বিবাহ কার্য সম্পাদিত হয়। এক্ষেত্রে বিবাহ চুক্তিটির একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো পুরুষরা নারীদেরকে বিবাহের সময় উপযুক্ত দেনমোহর প্রদান করতে বাধ্য থাকবে। এসব ক্ষেত্রে কেউ দেনমোহর প্রদানে ব্যর্থ হলে নারীরা যথাযথভাবে আইনের পূর্ণ সহযোগিতা পাবেন।
আমাদের দৈনন্দিন জীবনে যে কোন পেশার কোন ব্যক্তি নানারকম ব্যক্তিগত, ব্যবসায়িক ও সামাজিক কাজের স্বার্থে পণ্য/সেবার বিপরীতে অর্থ/সেবা আদান-প্রদান করে থাকি যেখানে কিছু শর্ত সাপেক্ষে চুক্তিবদ্ধ হতে হয়। চুক্তি পত্রের কোন শর্ত ভঙ্গের কারণে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হলে আইনের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে অপর পক্ষকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে বাধ্য করা যায়। মূলত, এদেশের নারীর প্রতি অবহেলা, নির্যাতন, বৈষম্য বিলোপ ও তাদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে। কোন নারী তার প্রাপ্য মোহরানার পরিশোধ করবার জন্য শর্তভঙ্গকারী স্বামীর বিরুদ্ধে আদালতে নালিশ করার মাধ্যমে (এটিই সবচেয়ে বেশী ব্যবহৃত এবং দ্রুত বিচার পাবার উপায়) অধিকাংশ মামলার ক্ষেত্রেই উপযুক্ত ন্যায় বিচার পেয়ে থাকেন।
http://lawofwomen.org/দেনমোহর-বা-মোহরানা

বিবাহের রেজিস্ট্রেশন কি? কিভাবে রেজিস্ট্রেশন করতে হয়?

12:47 AM Posted by Eahshan No comments

মুসলিম বিবাহ ও বিবাহ বিচ্ছেদ (নিবন্ধন) আইন, ১৯৭৪ (Muslim Marriage and Divorce (Registration) Act, 1974), এর বিধান মতে প্রত্যেকটি বিবাহ নিবন্ধন করা বাধ্যতামূলক এবং এই উদ্দেশ্যে সরকার ম্যারেজ রেজিস্ট্রার নিয়োগ করিবেন। প্রত্যেক বিবাহ রেজিস্ট্রার সরকারের নির্ধারিত পদ্ধতিতে প্রতিটি বিবাহ এবং তালাক এর পৃথক নিবন্ধন বজায় রাখবেন।
মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) বিধিমালা, ২০০৯ [the Muslim Marriages and Divorces (Registration) Rules, 2009] এর অধীনে একটি বিবাহ রেজিস্ট্রার নিয়োগের জন্য যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়েছে – একটি বিবাহ রেজিস্ট্রার লাইসেন্স প্রার্থীদের মাদ্রাসা বোর্ড বা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আলীম সার্টিফিকেট অর্জন করতে হবে যাদের বয়স ২১ – ৪০ বছরের মধ্যে হতে হবে এবং একটি নির্ধারিত আবেদন পত্রে নির্ধারিত ফী সহ উপদেষ্টা কমিটি সচিবের বরাবরে আবেদন করতে হবে। উপদেষ্টা কমিটি বিবাহ রেজিস্ট্রার নির্বাচন করার বিষয়ে সরকারকে পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করিবেন। উল্লেখ্য, একটি বিবাহ রেজিস্ট্রার এর সেবা একটি সরকারি সেবা নয়। একজন বিবাহ রেজিস্ট্রার ৬৫ বছর বয়স পর্যন্ত এই সেবা প্রদান করতে পারবেন।
বিবাহ এবং বিবাহবিচ্ছেদ নিবন্ধনের জন্য নির্ধারিত ফি: -

১৯৭৫ সালের বিবাহ এবং তালাক (নিবন্ধন) বিধিমালা - ১৮ ধারাতে বর্ণিত হয়েছে -

(১)
বিবাহ নিবন্ধন ফি বাবদ একজন নিকাহ রেজিস্ট্রার মোহরানার প্রতি ১০০০/- (এক হাজার টাকা) বা উহার অংশ বিশেষের জন্য ১০/- (দশ টাকা) হারে সর্বনিম্ন ৫০/- (পঞ্চাশ টাকা) এবং সর্বোচ্চ ৪০০০/- (চার হাজার টাকা) আদায় করিতে পারিবেন।
(২) তালাক নিবন্ধনের জন্য ফি বাবদ একজন নিকাহ রেজিস্ট্রার ২০০/- (দুই শত টাকা) আদায় করিতে পারিবেন।
(৩) কমিশনের বিবাহ বা তালাক নিবন্ধনের জন্য একজন নিকাহ রেজিস্ট্রার নিম্নোক্ত ফি আদায় করিবেন -
(ক) কমিশন ফি টাকা ২৫/- (পঁচিশ)
(খ) কমিশন কার্যকর করার জন্য যাতায়াত ভাতা মাইল প্রতি ১/- (এক টাকা)
৪। পরিদর্শন এবং নকলের জন্য একজন নিকাহ রেজিস্ট্রার নিম্নোক্ত ফি আদায় করিবেন -

(ক) নিকাহনামা বা তালাকনামার সহিমোহরী কপির জন্য -

সাধারণ টাকা ৫/-
জরুরী (urgent) টাকা ১০/-

http://lawofwomen.org/বিবাহের-রেজিস্ট্রেশন-কি/

আরো বিস্তারিত জানতে -

Contact Deputy Secretary Registration Room No.622 Phone: +88-02-7161556
From <http://www.minlaw.gov.bd/mregistrstion.htm>

মুসলিম , হিন্দু এবং খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের পারিবারিক আইনের – তালাক / বিয়ে বিচ্ছেদ বৈশিস্ট্যের তুলনামুলক চার্ট

12:37 AM Posted by Eahshan 1 comment

    বিষয়
             মুসলিম আইন
              খ্রিস্টান আইন
               হিন্দু আইন
তালাকের       অধিকার
স্বামীর অন্তঃ স্থায়ী এবং একক অধিকার আছে , স্ত্রীর অধিকার  শর্তাধীন ।
অধিকার না দেওয়া থাকলে স্ত্রী আদালতে মামলা করতে পারবে ।
আইনে অনুমোদিত নয় । দেওয়ানী আইনে কিছু কড়াকড়ি সাপেক্ষে অনুমোদনযোগ্য ।
ব্যভিচারের ক্ষেত্রে  স্বামী তার অধিকার প্রয়োগ করতে পারে । কিন্তু স্ত্রীর ক্ষেত্রে তা শর্তাধীন ।
 নিষিদ্ধ । তবে স্ত্রীর প্রতি অত্যচার এবং নিষ্ঠুরতার কারনে দীর্ঘদিনের বিচ্ছেদে তা অনুমোদিত ।
কারন
১৯৩৯ সালের বিয়ে বিচ্ছেদ আইনে যে কোন পক্ষের কাবিননামার প্রস্তাব অনুসারে ।
তালাকের ধারনা অপরিচিত । শুধুমাত্র ব্যভিচার , নিষ্ঠুরতা ও পরিত্যক্তার কারনে বিয়ে বিচ্ছেদ হতে পারে ।
উপরে বর্নিত বিষয়ে একরূপ ।
প্রক্রিয়া
পারিবারিক কোর্ট (স্ত্রীর ক্ষেত্রে) অথবা Arbitration council এর মাধ্যমে (উভয় পক্ষের জন্য)
কোন আদালত বা হাই কোর্টের মাধ্যমে আবেদন দাখিল করে ।
পারিবারিক আদালত অনুযায়ী বিচ্ছেদ সম্ভব।
পারস্পারিক সমঝোতার মাধ্যমে
                       ঐ
আইনে পারস্পারিক সমঝোতার জন্য কোন বিশেষ ব্যবস্থা ণেই । তবে কোন বাধাও ণেই ।
 প্রযোজ্য নয়।
http://lawofwomen.org/মুসলিম-হিন্দু-এবং-খ্রিস্-2/

বাল্য বিবাহের জন্য কোন শাস্তির বিধান আছে কি?

12:31 AM Posted by Eahshan No comments
আমাদের দেশের বিচার ব্যবস্থাতে বাল্য বিবাহ প্রতিরোধের জন্য কঠোর বিধান রয়েছে। বাল্য বিবাহ নিষিদ্ধ করণের অন্যতম একটি হলো অপ্রাপ্ত বয়সের একটি ছেলে আর মেয়ে শারীরিক এবং মানসিক ভাবে এই সম্পর্কটির জন্য প্রস্তুত থাকে না। বিশেষত নারীরা শারীরিক ভাবে ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, বিশেষ করে অপ্রাপ্ত বয়সে গর্ভবতী হলে মা ও গর্ভের শিশুটির জন্য মারাত্মক ঝুঁকির কারণ হয়। বিয়ের আমরা জানি বিয়ে একটি সামাজিক চুক্তি। প্রচলিত আইন অনুসারে একজন অপ্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তি কোন চুক্তি নিজে সাক্ষর করতে পারেন না, এক্ষেত্রে তার একজন অভিভাবক নিযুক্ত করা বাধ্যতামূলক। ঠিক তেমনি বিয়ের ক্ষেত্রেও অপ্রাপ্ত বয়স্করা আইনগত ভাবে নিকাহ নামা বা কোনো চুক্তি পত্রে সাক্ষর করতে পারে না। এধরনের অবস্থাতে উক্ত বিয়েটা বাতিল হয়ে যাবে না ঠিকই তবে বিয়েটির কোন পক্ষ বা উভয়পক্ষ প্রাপ্ত বয়স্ক হলে বিয়েটি বাতিল করবার অধিকার রাখে। আইনে নির্ধারিত কম বয়স্ক হলেই বাল্য বিবাহের কারণে বিয়েটির সাথে জড়িত ব্যক্তিরা বাল্য বিবাহ নিরোধ আইন ১৯২৯ (The Child Marriage Restraint Act, 1929) এর আওতায় বিচার এর অধীনেশাস্তিপ্রাপ্ত পাবে। ১৯২৯ সালের বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনের ৪ ধারা এর বিধান মোতাবেক – যদি কোন অপ্রাপ্ত বয়স্ক বালক বালিকা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় তাহা হইলে, এই আইন অমান্য কারীকে বিচার সাপেক্ষ শাস্তি হিসেবে এক মাস পর্যন্ত বিনা শ্রম কারা দন্ড বা ১,০০০.০০ (এক হাজার টাকা) পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয় দন্ডে দন্ডিত করা হতে পারে। ১৯২৯ সালের বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনের ধারাতে বাল্যবিবাহ পরিচালনার সাথে জড়িত সংশ্লিষ্ট দের শাস্তির আওতা ভুক্ত করা হয়েছে, যেখানে বাল্যবিবাহ পরিচালনাকারী দের এই আইন ভঙ্গ করার শাস্তি হিসেবে এক মাস পর্যন্ত বিনা শ্রম কারা দন্ড বা ১,০০০.০০ (এক হাজার টাকা) পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয় দন্ডে দন্ডিত করা হতে পারে।
http://lawofwomen.org/বাল্য-বিবাহের-শাস্তি/

THE DOWRY PROHIBITION ACT, 1980 (English Version)

12:27 AM Posted by Eahshan No comments

THE DOWRY PROHIBITION ACT, 1980 (ACT NO. XXXV OF 1980)
[26th December, 1980]
An Act to prohibit the taking or giving of dowry in marriages.
WHEREAS it is expedient to make provision to prohibit the taking or giving of dowry in marriages; It is hereby enacted as follows:-
Short title and commencement:
1. (1) This Act may be called the Dowry Prohibition Act, 1980. (2) It shall come into force on such date as the Government may, by notification in the official Gazette, appoint.
Definition:
2. In this Act, unless there is anything repugnant in the subject or context, “dowry” means any property or valuable security given or agreed to be given either directly or indirectly-
(a) by one party to a marriage to the other party to the marriage; or
(b) by the parents of either party to a marriage or by any other person to either party to the marriage or to any other person;
1[ at the time of marriage or at any time] before or after the marriage as consideration for the marriage of the said parties, but does not include dower or mehr in the case of persons to whom the Muslim Personal Law (Shariat) applies.
For the removal of doubts, it is hereby declared that any presents made at the time of a marriage by any person other than a party to the marriage to either party to the marriage in the form of any articles the value of which does not exceed five hundred taka, shall not be deemed to be dowry within the meaning of this section, unless they are made as consideration for the marriage of the said party.
Explanation II.- The expression “valuable security” has the same meaning as the section 30 of the Penal Code (Act XLV of 1860).
Penalty for giving or taking dowry:
3. If any person, after the commencement of this Act, gives or takes or abets the giving or taking of dowry, he shall be punishable with imprisonment which may extend to 2[ five years and shall not be less than one year, or with fine, or with both].
Penalty for demanding dowry:
4. If any person, after the commencement of this Act, demands, directly or indirectly, from the parents or guardian of a bride or bridegroom, as the case may be, any dowry, he shall be punishable with imprisonment which may extend to 3[ five years and shall not be less than one year, or with fine, or with both]. 4[ * * *]
Agreement for giving or taking dowry to be void
5. Any agreement for the giving or taking of dowry shall be void.
6[Omitted]
6. [Dowry for the benefit of the wife or her heirs-.Omitted by section 3 of The Dowry Prohibition (Amendment) Ordinance, 1984 (Ordinance No. XLIV of 1984).]
Cognizance of offences:
7. Notwithstanding anything contained in the Code of Criminal Procedure, 1898 (Act V of 1898),- (a) no Court inferior to that of a magistrate of the first class shall try any offence under this Act; (b) no Court shall take cognizance of any such offence except on a complaint made within one year from the date of the offence; (c) it shall be lawful for a magistrate of the first class to pass any sentence authorised by this Act on any person convicted of an offence under this Act.
Offence to be non cognizable, etc
5[ 8. Every offence under this Act shall be non cognizable, non-bailable and compoundable.]
Power to make rules:
9. (1) The Government may, by notification in the official Gazette, make rules for carrying out the purposes of this Act. (2) Every rule made under this section shall, as soon as may be after it is made, be laid before Parliament and if Parliament before the expiry of the session in which it is laid, agree in making any modification in the rule or agree that the rule should not be made, the rule shall thereafter have effect only in such modified form or be of no effect, as the case may be, subject that any such modification or annulment shall be without prejudice to the validity of anything previously done under that rule.
1 The words “at the time of marriage or at any time” were substituted for the words “at or” by section 2 of The Dowry Prohibition (Amendment) Ordinance, 1984 (Ordinance No. LXIV of 1984)
2 The words and commas “five years and shall not be less than one year, or with fine, or with both” were substituted for the words and commas “one year, or with fine which may extend to five thousand taka, or with both” by section 2 of the Dowry Prohibition (Amendment) Ordinance, 1986 (Ordinance No. XXVI of 1986)
3 The words and commas “five years and shall not be less than one year, or with fine, or with both” were substituted for the words and commas “one year, or with fine which may extend to five thousand taka, or with both” by section 3 of the Dowry Prohibition (Amendment) Ordinance, 1986 (Ordinance No. XXVI of 1986)
4 The proviso was omitted by section 2 of The Dowry Prohibition (Amendment) Ordinance, 1982 (Ordinance No. XLIV of
1982)
5 Section 8 was substituted by section 4 of the Dowry Prohibition (Amendment) Ordinance, 1986 (Ordinance No. XXVI of 1986)
Copyright © 2010, Legislative and Parliamentary Affairs Division Ministry of Law, Justice and Parliamentary Affairs

বাংলাদেশে বিভিন্ন ধর্মের আইন অনুসারে বিবাহের তুলনা-মুলক চার্ট – (মুসলিম/হিন্দু/খ্রিস্টান সম্প্রদায়)

12:22 AM Posted by Eahshan No comments

বিষয় মুসলিম আইন খ্রিস্টান আইন হিন্দু আইন
মতামত প্রকাশ প্রয়োজনে , তবে বাস্তবপক্ষে দু পক্ষের মতামত প্রকাশ্যে অথবা ইঙ্গিতে প্রয়োজন বিয়ের আগে ও বিয়ের সময় দু পক্ষের মতামত প্রকাশ বাধ্যতামুলক বর এবং কনের জন্য মত প্রকাশ করা বাধ্যতামুলক নয় ।
রেজিস্ট্রেশন বিয়ে এবং তালাকের ক্ষেত্রে আইনী প্রয়োজন তবে তা সনদপ্রাপ্ত কতৃপক্ষ দ্বারা সম্পাদন করতে হবে । রেজিস্ট্রেশন ছাড়া বিয়ে বাতিল না হলেও শাস্তির বিধান রয়েছে । নির্দিস্ট গীর্জায় বিয়ের সময় রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয় । একই সাথে তা সরকারি মিউনিসিপাল রেজিস্টারে ও নথিভুক্ত করা হয় । রেজিস্ট্রেশনের কোন আনুস্ঠানিক নিয়ন নেই । পুরোহিতের সামনে সাত পাকে ঘোরার প্রথা প্রচলিত আছে ।
সাক্ষী প্রয়োজন এবং বাধ্যতামুলক প্রয়োজন এবং বাধ্যতামুলক প্রয়োজন অথবা বাধ্যতামুলক কোনটাই নয় । তবে আনুস্ঠান পুরোহিতের সামনে পরিচালিত হয়।
দেনমোহর বিয়ে চুক্তির (কাবিন নামার) প্রয়োজনীয় অংশ । আইনি প্রয়োজনীয়তা বা বাধ্যতামুলক শর্ত নেই । আইনি স্বীকৃতি ণেই
বাল্যবিবাহ অভিভাবকের সম্মতিতে অনুমোদনযোগ্য । অভিভাবকের বিরুদ্ধে শাস্তির বিধান থাকলেও বিয়ে বাতিল হয় না । বাবার সম্মতিতে অনুমোদনযোগ্য । অভিভাবকের বিরুদ্ধে শাস্তির বিধান থাকলেও বিয়ে বাতিল হয় না বাবার সম্মতিতে বিয়ে বৈধ । অভিভাবকের বিরুদ্ধে শাস্তির বিধান থাকলেও বিয়ে বাতিল হয় না
যৌতুক নিষিদ্ধ । যৌতুক দান ও গ্রহন উভয়ই শাস্তিযোগ্য অপরাধ । তবে সমাজে যৌতুকের প্রচলন আছে যৌতুক দান ও গ্রহন উভয়ই শাস্তিযোগ্য অপরাধ । তবে সমাজে যৌতুকের প্রচলন আছে পন প্রথা হিসেবে যৌতুক নিষিদ্ধ । তবে যৌতুক  ব্যপকভাবে প্রচলিত ।
বহুবিবাহ স্বামীর চার বিয়ে অনুমোদনযোগ্য । মুসলিম পারিবারিক আইন ১৯৬১ ‘র শর্ত সাপেক্ষে বহু পতি ও বহু পত্নি উভয়ই নিষিদ্ধ এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ । স্বামী অনেক বিয়ে করতে পারে এবং স্ত্রীর বোনকেও বিয়ে করতে পারে ।
মিশ্র বিয়ে পুরুষ অমুসলিম এবং কিতাবিয়া বিয়ে করতে পারে । কিন্তু মহিলার ক্ষেত্রে এটা প্রযোজ্য নয় । যে কোন ক্ষেত্রেই সন্তান বাবার ধর্ম ও নাগরিকত্ব পায় । গীর্জার অনুমতি সাপেক্ষে অনুমোদন যোগ্য । ক্যথলিকদের জন্য বিয়ে শর্তাবন্ধ । নারী , পুরুষ উভয়ের জন্যই  হিন্দু ছাড়া কাউকেই বিয়ে করতে পারবে না । তবে শিখ , জৈণ এবং বৌদ্ধ বিয়েতে আপত্তি ণেই।
http://lawofwomen.org/মুসলিম-হিন্দু-এবং-খ্রিস্/

Monday, July 7, 2014

মুসলিম, হিন্দু ও খ্রিষ্টান ধর্ম অনুযায়ী তালাক ও তালাকের পদ্ধতি!

11:55 PM Posted by Eahshan No comments

  • তালাক কি?
তালাক শব্দটির উৎস আরবী ভাষা থেকে, যার অর্থ কোনো কিছু ভেঙ্গে ফেলা বা ছিন্ন করা। মুসলিম আইনের বিধান মতে তালাক স্বামী-স্ত্রীর একটি বৈধ ও স্বীকৃত অধিকার যখন স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, দুইজনের পক্ষে একত্রে বসবাস করা সম্ভব হয় না তখন যে কোন পক্ষ থেকে বা উভয়ে কিছু নির্দিষ্ট উপায়ে তালাকের মাধ্যমে তাদের এই সম্পর্ক ছিন্ন করতে পারেন।
আইনের বিধানমতে তালাক দেবার ক্ষমতা বা অধিকার স্বামী ও স্ত্রীর সমান নয়৷ স্বামীর এক্ষেত্রে প্রায় একচ্ছত্র ক্ষমতা রয়েছে। স্বামী বা স্ত্রী যে কোন এক জনের ইচ্ছেতে (কিছু আইনগত শর্ত পূরণের মাধ্যমে) তালাক হতে পারে৷ মুসলিম আইন অনুযায়ী নিম্নলিখিত ভাবে তালাক দেওয়া যায়:
  • স্বামীর পক্ষ থেকে তালাক:
আমাদের দেশে প্রচলিত মুসলিম আইন অনুযায়ী একজন পূর্ন বয়স্ক ও সুস্থ মস্তিস্কের মুসলিম ব্যক্তি যে কোন সময় কোন কারণ দর্শানো ছাড়াই তার স্ত্রীকে তালাক দিতে পারে। আইনের কাছে তাকে কোন জবাবদিহি করতে হয়না এবং স্ত্রী, তাকে কেন তালাক দেওয়া হল তা জানতে চাইতে পারেনা। তবে এক্ষেত্রে এখনও অনেকে মনে করেন “এক তালাক, দুই তালাক, তিন তালাক” বা বায়েন তালাক উচ্চারণ করা মাত্র তালাক হয়ে যায়। কিন্তু এটি একটি ভুল ধারণা৷ স্বামী যেকোন সময় তালাক দিতে পারলেও তাকে আইনগত ভাবে নিয়ম মেনেই তালাক দিতে হয়।
  • স্ত্রীর পক্ষ থেকে তালাক:
স্ত্রী তিন উপায়ে তালাক দিতে পারেন: (ক) আদালতের মাধ্যমে, (খ) তালাক-ই-তৌফিজের মাধ্যমে, (গ) খুলার মাধ্যমে।
এছাড়া স্বামী-স্ত্রী দুই জনই নিজেদের ইচ্ছাতে নিজেদের সম্মতিক্রমে সমঝতার মাধ্যমে তালাকের ব্যবস্থা করতে পারেন। যদিও তালাক টি রেজিস্ট্রেষন করা এখন আইনের মাধ্যমে বাধ্যতামুলক করা হয়েছে।
  • তালাক প্রাপ্ত স্বামী-স্ত্রী কি পুনরায় বিয়ে করতে পারবে? হাঁ পারে৷ সেক্ষেত্রে নতুন করে বিয়ে করতে হবে।
  • তালাকের পর সন্তান কার কাছে থাকবে? তালাকের পর সন্তান মায়ের কাছে থাকবে। এক্ষেত্রে ছেলে সন্তান ৭ বছর পর্যন্ত এবং মেয়ে সন্তান বয়ঃসদ্ধিকাল পর্যন্ত মায়ের কাছে থাকবে৷ তবে তাদের ভরণপোষণের দায়িত্ব বাবা বহন করবে৷ যদি বাবা দায়িত্ব পালন না করে সেক্ষেত্রে চেয়ারম্যান সালিসীর মাধ্যমে আলাপ আলোচনা করে বিষয়টি মীমাংসা করতে পারেন।
  • তালাক কখন প্রত্যাহার করা যায়? ৯০ দিন অতিক্রান্ত হবার আগেই তালাক প্রত্যাহার করা যায়৷
 তালাকের আইনগত পদ্ধতি:
 ১. কোন ব্যক্তি স্ত্রীকে তালাক দিতে চাইলে তাকে যে কোন পদ্ধতির তালাক ঘোষণার পর যথা শীঘ্রই সম্ভব স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ/পৌর/সিটি চেয়ারম্যানকে লিখিতভাবে তালাকের নোটিশ দিতে হবে এবং স্ত্রীকে উক্ত নোটিসের নকল প্রদান করতে হবে।
২. নিম্নের (৫) উপ-ধারার ব্যবস্থাবলীর মাধ্যম ব্যতিত প্রকাশ্য অথবা অন্যভাবে প্রদত্ত কোন তালাক, পূর্বাহ্নে বাতিল না হলে চেয়ারম্যান নোটিশ প্রাপ্তির তারিখ হতে নব্বই দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত বলবৎ হবে না।
৩. নোটিশ প্রাপ্তির ত্রিশ দিনের মধ্যে চেয়ারম্যান সংশ্লিষ্ট পক্ষদ্বয়ের মধ্যে আপোষ বা সমঝোতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে সালিসী পরিষদ গঠন করবে এবং উক্ত সালিসী পরিষদ এ জাতীয় সমঝোতার (পুনর্মিলনের) জন্য প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থাই  অবলম্বন করবে।
৪. তালাক ঘোষণা কালে স্ত্রী গর্ভবতী থাকলে বা অন্তঃসত্ত্বা থাকলে তালাক বলবৎ হবে না।
৫. কার্যকরী তালাক দ্বারা যার বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটেছে, সে স্ত্রী এ জাতীয় তালাক তিন বার কার্যকরী না হলে অন্য কোন ব্যক্তিকে বিবাহ না করে পুনরায় একই স্বামীকে বিবাহ করতে পারবে।
৬. যে কোন ধরণের তালাক রেজিষ্টেশনের ক্ষেত্রে নিকাহ রেজিষ্ট্রার বা কাজী সাহেবকে ২০০ (দুই শত) টাকা ফি প্রদান করে তালাক রেজিস্ট্রী করতে হবে।
নোটিশ ছাড়া তালাক দিলে শাস্তি
ধারা – ৭(২) অনুযায়ী নোটিশ ছাড়া তালাক দিলে এক বৎসর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদন্ড অথবা দশ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় প্রকার শাস্তি হবে।
স্ত্রী তিন ভাবে স্বামীর কাছ থেকে বিচ্ছেদ চাইতে পারে।
 ১. তালাক-ই-তৌফিজ, ২. খুলা, ৩. আদালতের মাধ্যমে বিচ্ছেদ।
 ১. তালাক-ই-তৌফিজ
নিকাহনামার ১৮ নং ঘরে স্বামী যদি স্ত্রীকে তালাক প্রদানের ক্ষমতা অর্পণ করে থাকে, সে ক্ষমতার বলে স্ত্রী যদি স্বামীর কাছ থেকে বিচ্ছেদ চায় তাহলে সে বিচ্ছেদকে তালাক-ই- তৌফিজ বলে।
 ২. খুলা
স্বামী এবং স্ত্রীর আলোচনা সাপেক্ষে নিজেদের সমঝোতার মাধ্যমে যে বিচ্ছেদ হয় তাকে ‘খুলা’ বিচ্ছেদ বলে, তবে স্বামীকে ‘খুলা’ বিচ্ছেদে রাজী করানোর দায়িত্ব হচ্ছে স্ত্রীর (প্রয়োজনে কোন কিছুর বিনিময়ে)। এ ক্ষেত্রে স্বামী স্ত্রীকে ইদ্দত কালীন ও গর্ভস্থ সন্তানের ভরণপোষণ দিতে বাধ্য।
 ৩. আদালতের মাধ্যমে বিচ্ছেদ
তালাক-ই-তৌফিজ ও খুলার মাধ্যমে স্ত্রী যদি বিচ্ছেদ না নিতে পারে এবং স্ত্রী যদি বিচ্ছেদ নেওয়া একান্ত প্রয়োজন মনে করে তাহলে ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে কি কি কারণে একজন স্ত্রী আদালতে বিয়ে বিচ্ছেদের আবেদন করতে পারবে। কারন গুলো হলো:
 ১. চার বৎসর পর্যন্ত স্বামী নিরুদ্দেশ থাকলে।
২. দুই বৎসর স্বামী স্ত্রীর খোরপোষ দিতে ব্যর্থ হলে।
৩. স্বামীর সাত বৎসর কিংবা তার চেয়েও বেশী কারা দন্ড হলে।
৪. স্বামী কোন যুক্তিসংগত কারণ ব্যতীত তিন বছর যাবৎ দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে।
৫. বিয়ের সময় পুরুষত্বহীন থাকলে এবং তা মামলা দায়ের করা পর্যন্ত বজায় থাকলে।
৬. স্বামী দুই বৎসর ধরে পাগল থাকলে অথবা কুষ্ঠ ব্যাধিতে বা মারাত্মক যৌন ব্যাধিতে আক্রান্ত থাকলে।
৭. বিবাহ অস্বীকার করলে। কোন মেয়ের বাবা বা অভিভাবক যদি ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগে মেয়ের বিয়ে দেন, তা হলে মেয়েটির ১৯ বছর হওয়ার আগে বিয়ে অস্বীকার করে বিয়ে ভেঙ্গে দিতে পারে, তবে যদি মেয়েটির স্বামীর সঙ্গে দাম্পত্য সম্পর্ক (সহবাস) স্থাপিত না হয়ে থাকে তখনি কোন বিয়ে অস্বীকার করে আদালতে বিচ্ছেদের ডিক্রি চাইতে পারে।
৮. স্বামী ১৯৬১ সনের মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান লঙ্ঘন করে একাধিক স্ত্রী গ্রহণ করলে।
৯. স্বামীর নিষ্ঠুরতার কারণে।  আদালত স্বীকৃত নিষ্ঠুর ব্যবহার সমূহ:
ক) অভ্যাসগত ভাবে স্ত্রীকে আঘাত করলে বা নিষ্ঠুর আচরণ করলে, উক্ত আচরণ দৈহিক পীড়নের পর্যায়ে না পড়লেও, তার জীবন শোচনীয় করে তুলেছে এমন হলে।
খ) স্বামী খারাপ মেয়ের সাথে জীবন যাপন করলে।
গ) স্ত্রীকে অনৈতিক জীবন যাপনে বাধ্য করলে।
ঘ) স্ত্রীর সম্পত্তি নষ্ট করলে।
ঙ) স্ত্রীকে ধর্মপালনে বাধা দিলে।
চ) একাধিক স্ত্রী থাকলে সকলের সাথে সমান ব্যবহার না করলে।
ছ) এছাড়া অন্য যে কোন কারণে (যে সকল কারণে মুসলিম আইনে বিয়ের চুক্তি ভঙ্গ করা হয়)।
 আদালতে উপরিউক্ত অভিযোগ প্রমাণের দায়িত্ব স্ত্রীর। অভিযোগ প্রমাণ সাপেক্ষে স্ত্রী বিবাহ-বিচ্ছেদের পক্ষে ডিক্রি পেতে পারে, আদালত ডিক্রি দেবার পর সাত দিনের মধ্যে একটি সত্যায়িত কপি আদালতের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানের কাছে পাঠাবে। চেয়ারম্যান উক্ত নোটিসকে তালাক সংক্রান্ত নোটিস হিসেবে গণ্য করে আইনানুযায়ী পদক্ষেপ নিবে এবং চেয়ারম্যান যেদিন নোটিশ পাবে সে দিন থেকে ঠিক নব্বই দিন পর তালাক চূড়ান্ত ভাবে কার্যকর হবে।
হিন্দু আইনে যা বলা হয়েছে:
 সনাতন হিন্দু আইনে সরাসরি বিবাহ বিচ্ছেদের কোনো বিধান নেই। তবে ভারতে ১৯৫৫ সালের হিন্দু বিবাহ আইনে কতিপয় বিশেষ ক্ষেত্রে আনীত অভিযোগ প্রমাণ সাপেক্ষে বিবাহবিচ্ছেদ সম্ভব হলেও বাংলাদেশে এ আইন প্রযোজ্য নয়। স্ত্রী যদি একান্তই মনে  করেন যে, স্বামীর সঙ্গে বসবাস করা দুর্বিসহ, তা হলে তিনি পিত্রালয়ে বা অন্য কোনো  নিরাপদ স্থানে পৃথক থাকতে পারেন। তবে এ ক্ষেত্রে স্ত্রী স্বামীর কাছ থেকে ভরণপোষণ পাওয়ার অধিকারী হন। ১৯৪৬ সালে বিবাহিত নারীর পৃথক বাসস্থান এবং ভরণপোষণ আইন পাস হওয়ার পর, এ আইন অনুযায়ী- এক স্ত্রীর বর্তমানে স্বামী অন্য স্ত্রী গ্রহণ করলে স্ত্রী স্বামীর কাছ থেকে পৃথক থাকলেও স্ত্রীকে ভরণপোষণ দিতে স্বামী বাধ্য থাকবেন।
খ্রিষ্টান ধর্মে বিবাহ বিচ্ছেদ:
 খ্রিষ্টানদের জন্য বিবাহবিচ্ছেদের ব্যাপারে আমাদের দেশে রাষ্ট্রীয় আইন রয়েছে, তা ব্রিটিশ কর্তৃক প্রবর্তিত, যা ১৮৬৯ সালের ক্রিশ্চিয়ান ডিভোর্স অ্যাক্ট নামে পরিচিত। কিন্তু এ আইনের কোনো ক্যাথলিক খৃষ্টান বিবাহবিচ্ছেদ ঘটালে তা গ্রহণীয় নয়। প্রোটেষ্ট্যান্ট খ্রীষ্টান সম্প্রদায় বিভিন্ন বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে বৈধ বিয়ের বিচ্ছেদ মেনে নেয়। তবে, বিশেষ বিবেচনায় অথবা চার্চের হস্তক্ষেপে কিছু ক্ষেত্রে ক্যাথলিক সম্প্রদায়ের মধ্যে বিবাহবিচ্ছেদ হতে দেখা যায়।
উল্লেখ্য, ১৮৬৯ সালের ক্রিশ্চিয়ান ডিভোর্স অ্যাক্টের বিবাহবিচ্ছেদের ব্যাপারে নারীকে অধিকার প্রদান করা হয়েছে। বিবাহবিচ্ছেদের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, স্ত্রীর ক্ষমতা ও অধিকারকে স্বামীর পাশাপাশি সমুন্নত  রাখা হয়েছে এবং স্ত্রীকেও স্বামীর পাশাপাশি সমতা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছ
সম্পুর্ন আর্টিকেল পরুন ঃ http://lawofwomen.org/মুসলিম-হিন্দু-ও-খ্রিষ্টা/

Saturday, July 5, 2014

নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে ন্যাশনাল হেল্পলাইন সেন্টার

5:59 AM Posted by Eahshan No comments

নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুদের প্রয়োজনীয় সকল ধরনের সেবা এবং সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার ও ডেনমার্ক সরকারের যৌথ উদ্যোগে নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের অধীনে ন্যশনাল হেল্পলাইন সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে । এই সেন্টারে ২৪ ঘন্টা যে কোন মোবাইল , ল্যন্ডলাইন এবং অন্যান্য টেলিফোন অপারেটর হতে ১০৯২১ নাম্বারে ফোন করে নির্যাতনের শিকার মহিলা ও শিশু তাদের পরিবার এবং সংশিস্নষ্ট অন্যান্য সকলে প্রয়োজনীয় তথ্য সেবা ও পরামর্শ নিতে পারবে ।

হেল্পলাইন সেন্টারের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য -

নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুর প্রয়োজনীয় সকল ধরনের সেবা এবং সহায়তা প্রদান নিশ্চিতকরণ।
ভিকটিম এবং অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের আইনী বিধি-বিধান সম্পর্কে দিকনির্দেশনা প্রদান।
সরকারী ও বেসরকারী পর্যায়ে বিরাজমান অন্যান্য হেল্পলাইন সম্পর্কে তথ্য প্রদান।
ভিকটিম এবং তার পরিবারের সদস্যদের মনোসামাজিক কাউন্সেলিং সেবা প্রদান।
আইনসহায়তা প্রদানকারী সংস্থা এবং অন্যান্য সমাজকর্মীর মাধ্যমে বিশেষ পরিস্থিতিতে ভিকটিককে উদ্ধারে সহায়তা প্রদান।
হেল্পলাইন সেন্টার প্রদত্ত বিশেষ সেবাসমুহ –

এই সেন্টারে ২৪ ঘন্টা ১০৯২১ নম্বরে ফোন করা যায়।
ভিকটিম, তার পরিবার এবং সংশিস্নষ্ট অন্যান্যদের যে কোন জিজ্ঞাসা এবং প্রশ্নের উত্তর প্রদান।
জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধর্মরক সংবাদ ও রিপোর্টসমূহ ফলো-আপ কারা।
জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে এস এমএস, ই-মেইল এবং ফ্যাক্স এর সাহায্যে স্থানীয় প্রতিনিধি এবং সংস্থানসমূহকে তথ্য প্রদান এবং ভিকটিমকে সাহায্যের জন্য অনুরোধ করা।
ভিকটিম এবং পেশাজীবি (ডাক্তার, কাউন্সেলন, আইনজীবি, ডিএনএ বিশেষজ্ঞ, গবেষণা কর্মকর্তা এবং পুলিশ অফিসার) এর সাথে অন-লাইন যোগাযোগ রক্ষা করা।
হেল্পলাইন সেন্টারের মূল বৈশিষ্ট্যসমুহ -

প্রত্যক্ষ্ যোগাযোগের জন্য হেল্পলাইন হিসেবে বিশবসত্মতা রক্ষা করা।
বিভিন্ন সহায়তার জন্য তথ্য এবং যোগাযোগের বিষয়সমূহের যথার্থতা নিশ্চিত করা।
মহিলাদের সহায়তার জন্য অন্যান্য সেবার সাথে যোগসূত্র স্থাপন করা।
নারী ও শিশু নির্যান প্রতিরোধে সামাজিক নেটওয়ার্ক ও জন সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
অধিকার বিষয়ক পরামর্শ এবং আইনী পরামর্শ প্রদান ।

সম্পুর্ন আর্টিকেল পরুন ঃ http://lawofwomen.org/ন্যাশনাল-হেল্পলাইন/

দেনমোহর বা মোহরানা

5:54 AM Posted by Eahshan No comments
মুসলিম ধর্মের বিধান অনুযায়ী দেনমোহর বা মোহরানা মুসলিম নারীদের একটি অধিকার বিবাহের সময় স্বামী তার স্রী কে যে অর্থ বা সম্পত্তি প্রদান করেন (পূর্ণ বা আংশিক) অথবা ভবিষ্যতে প্রদান করতে স্বীকার করেন সেই অর্থ বা সম্পত্তিই হলো দেনমোহর/মোহরানা। একজন নারী বিবাহের মাধ্যমে তার স্বামীর নিকট থেকে তাদের বিবাহের ধার্যকৃত মোহরানাটি অধিকার স্বরূপ প্রাপ্য হয়ে থাকেন। যদি কোন স্বামী দেনমোহরের নির্ধারিত অর্থ বা সম্পত্তি পুরোপুরি পরিশোধ না করে থাকেন তাহলে তিনি তার স্রীর নিকট দায়বদ্ধ থাকবেন। বিবাহটি কার্যকর থাকুক বা বিচ্ছেদ হয়ে যাক, দেনমোহর পূর্ন পরিশোধ না হয়ে থাকলে নারীরা আইনের বিধান অনুযায়ী তার প্রাপ্য অধিকার পরিশোধ করার জন্য স্বামী কে বাধ্য করতে পারবেন।
মানুষের জীবনে বিয়ে একটি সামাজিক বন্ধনের চুক্তি মাত্র যেখানে কিছু নির্ধারিত দায়িত্ব-কর্তব্য ও শর্ত পূরণের অঙ্গীকার করে একটি ছেলে ও একটি মেয়ে চুক্তি বদ্ধ হয়ে থাকে। মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান অনুযায়ী একটি বিবাহ বৈধ হতে অবশ্যই ৫ (পাঁচ) টি উপাদান থাকতে হয়, যার অন্যতম প্রধান শর্ত হলো উপযুক্ত দেনমোহর বা মোহরানা নির্ধারণ করা এবং স্বামী কর্তৃক স্রী কে পরিশোধ করা।
মুসলিম আইনের বিধান মতে বিবাহ বন্ধনের ক্ষেত্রে সামাজিক রীতির তেমন গুরুত্ব নেই, বরং বিবাহে ইচ্ছুক একটি ছেলে ও একটি মেয়েকে একটি গভীর সামাজিক চুক্তিতে আবদ্ধ করে। একটি চুক্তি পত্রে সাক্ষর করার মাধ্যমে দাম্পত্য জীবনের দায়িত্ব-কর্তব্য পালনের শর্ত-সাপেক্ষে বিবাহ কার্য সম্পাদিত হয়। এক্ষেত্রে বিবাহ চুক্তিটির একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো পুরুষরা নারীদেরকে বিবাহের সময় উপযুক্ত দেনমোহর প্রদান করতে বাধ্য থাকবে। এসব ক্ষেত্রে কেউ দেনমোহর প্রদানে ব্যর্থ হলে নারীরা যথাযথভাবে আইনের পূর্ণ সহযোগিতা পাবেন।
সম্পুর্ন আর্টিকেল পরুন ঃ http://lawofwomen.org/দেনমোহর-বা-মোহরানা

বিবাহের রেজিস্ট্রেশন কি?

5:51 AM Posted by Eahshan No comments
মুসলিম বিবাহ ও বিবাহ বিচ্ছেদ (নিবন্ধন) আইন, ১৯৭৪ (Muslim Marriage and Divorce (Registration) Act, 1974), এর বিধান মতে প্রত্যেকটি বিবাহ নিবন্ধন করা বাধ্যতামূলক এবং এই উদ্দেশ্যে সরকার ম্যারেজ রেজিস্ট্রার নিয়োগ করিবেন। প্রত্যেক বিবাহ রেজিস্ট্রার সরকারের নির্ধারিত পদ্ধতিতে প্রতিটি বিবাহ এবং তালাক এর পৃথক নিবন্ধন বজায় রাখবেন।
মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) বিধিমালা, ২০০৯ [the Muslim Marriages and Divorces (Registration) Rules, 2009] এর অধীনে একটি বিবাহ রেজিস্ট্রার নিয়োগের জন্য যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়েছে – একটি বিবাহ রেজিস্ট্রার লাইসেন্স প্রার্থীদের মাদ্রাসা বোর্ড বা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আলীম সার্টিফিকেট অর্জন করতে হবে যাদের বয়স ২১ – ৪০ বছরের মধ্যে হতে হবে এবং একটি নির্ধারিত আবেদন পত্রে নির্ধারিত ফী সহ উপদেষ্টা কমিটি সচিবের বরাবরে আবেদন করতে হবে। উপদেষ্টা কমিটি বিবাহ রেজিস্ট্রার নির্বাচন করার বিষয়ে সরকারকে পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করিবেন। উল্লেখ্য, একটি বিবাহ রেজিস্ট্রার এর সেবা একটি সরকারি সেবা নয়। একজন বিবাহ রেজিস্ট্রার ৬৫ বছর বয়স পর্যন্ত এই সেবা প্রদান করতে পারবেন।
বিবাহ এবং বিবাহবিচ্ছেদ নিবন্ধনের জন্য নির্ধারিত ফি: -
১৯৭৫ সালের বিবাহ এবং তালাক (নিবন্ধন) বিধিমালা - ১৮ ধারাতে বর্ণিত হয়েছে -
(১)বিবাহ নিবন্ধন ফি বাবদ একজন নিকাহ রেজিস্ট্রার মোহরানার প্রতি ১০০০/- (এক হাজার টাকা) বা উহার অংশ বিশেষের জন্য ১০/- (দশ টাকা) হারে সর্বনিম্ন ৫০/- (পঞ্চাশ টাকা) এবং সর্বোচ্চ ৪০০০/- (চার হাজার টাকা) আদায় করিতে পারিবেন।
(২)তালাক নিবন্ধনের জন্য ফি বাবদ একজন নিকাহ রেজিস্ট্রার ২০০/- (দুই শত টাকা) আদায় করিতে পারিবেন।
(৩)কমিশনের বিবাহ বা তালাক নিবন্ধনের জন্য একজন নিকাহ রেজিস্ট্রার নিম্নোক্ত ফি আদায় করিবেন -
 (ক) কমিশন ফি টাকা ২৫/- (পঁচিশ)
 (খ) কমিশন কার্যকর করার জন্য যাতায়াত ভাতা মাইল প্রতি ১/- (এক টাকা)
৪।পরিদর্শন এবং নকলের জন্য একজন নিকাহ রেজিস্ট্রার নিম্নোক্ত ফি আদায় করিবেন -
সম্পুর্ন আর্টিকেল পরুন ঃ http://lawofwomen.org/বিবাহের-রেজিস্ট্রেশন-কি/